৮ নভে, ২০০৯

মতামত বিভাগ

এই পাতাটি পাঠকের মতামতের জন্য উন্মুক্ত।

- খবর-দার পত্রিকাটি আপনার কেমন লাগছে?
- পত্রিকার লেখাগুলো কি আপনাকে সন্তুষ্ট করছে?
- পত্রিকার সামগ্রিক অঙ্গসজ্জা নিয়ে আপনার বক্তব্য কি?
- আরো কি হলে, কি ভাবে হলে ভালো হয়?
- খবর-দার ব্লগ নিয়ে আপনার মতামত কি?
- এবং আরো যা ভাবছেন ...

আপনার মুল্যবান মতামত আমাদের সমৃদ্ধ করবে।

ইন্টারনেটে বিজ্ঞান

ইন্টারনেটে বিজ্ঞানের সম্ভার কম নয়। তারই সামান্য একটি অংশ এখানে তুলে ধরা হলো:

অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
- নাসা
- প্ল্যানেটারি সোসাইট
- বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল এসোসিয়েশন
- অনুসন্ধিৎসু চক্র বিজ্ঞান সংগঠন
- মার্স সোসাইটি

গবেষণাপত্র এবং অভিসন্দর্ভ
- আরজিভ

জ্ঞানকোষ
- এক্সট্রাগ্যালাক্টিক ডেটাবেজ
- নিসর্গ নেচার
- বহির্গ্রহ বিশ্বকোষ

ফোরাম
- আমাদের প্রযুক্তি
- প্রজন্ম ফোরাম-এ বিজ্ঞান
- ব্যাড অ্যাস্ট্রোনমি ও ইউনিভার্স টুডে

অনুসন্ধিৎসু চক্র :: পরিচিতি

অনুসন্ধিৎসু চক্র (অচ) একটি বিজ্ঞান সংগঠন বা বিজ্ঞান ক্লাব ।

প্রগতি ও শান্তির জন্য বিজ্ঞান - এ আদর্শকে সামনে রেখে তিন দশক ধরে কাজ করছে অনুসন্ধিৎসু চক্র বিজ্ঞান সংগঠন। বিজ্ঞান চর্চার প্রসারে দেশের নানা স্হানে এর শাখা রয়েছে। বাংলাভাষায় গণমানুষের কাছে সহজভাবে বিজ্ঞানের প্রসারে এ সংগঠনের বহুবিধ কার্যক্রম রয়েছে।

বর্তমানে অনুসন্ধিৎসু চক্র দেশব্যাপী বিজ্ঞান গণসাক্ষরতা অভিযান পরিচালনা করছে। নিয়মিত বিজ্ঞান সভা, আলোচনা,প্রকল্প তৈরী, জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম, বইপড়া প্রতিযোগিতা, কৃষি সহায়ক কার্যক্রম, জ্যোতির্বিজ্ঞান চর্চা, বিজ্ঞানের ইতিহাস নিয়ে প্রদর্শনী, কুসংষ্কার বিরোধী প্রচার, অনুসন্ধিৎসু বিজ্ঞান গ্রন্হমালা এসব নিয়ে চক্র কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। অনুসন্ধিৎসু চক্র বিজ্ঞান সংগঠন ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতি যৌথভাবে তৈরি করেছে দেশের প্রথমও একমাত্র ভ্রাম্যমাণ বিজ্ঞানও প্রযুক্তি জাদুঘর।


অনুসন্ধিৎসু চক্রের আদর্শ ও উদ্দেশের্ সাথে একমত পোষণকারী যে কেউ অচ-র সদস্য হতে পারেন। চক্র তার কার্যক্রমে যুক্ত হয়ে বিজ্ঞান আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য সকল বিজ্ঞান অনুসন্ধিৎসুদের আহবান জানাচ্ছে।
আপনিও যোগ দিতে পারেন আমাদের এ চলার পথে।

কেন্দ্রীয় ঠিকানা:
48/1, দক্ষিণ মুগদা পাড়া,
ঢাকা, 1214।

মেইল করুন:
achokroএটgmail.com

খবর-দার :: কি ও কেন?



খবর-দার একটি পরীক্ষামুলক ত্রৈমাসিক বিজ্ঞান পত্রিকা। এটি একটি লিটল ম্যাগাজিন।


বিজ্ঞান সংগঠন অনুসন্ধিৎসু চক্রের রয়েছে আঠারোটি শাখা। এরই একটি হলো মুগদাপাড়া শাখা। এ শাখার পত্রিকা হলো খবর-দার। খবর-দার নামটি নেয়া হয়েছে দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়ের বিজ্ঞান কি ও কেন বইটি থেকে - যার অর্থ যে খবর দেয়, ইন্দ্রিয়।

খবর-দারের যাত্রা শুরু হয়েছিলো 2006 সালের অক্টোবর মাস থেকে। এখনো খবর-দার নিয়মিত বের হয়ে যাচ্ছে। প্রথম এক বছর খবর-দার হাতে লিখে ফটোকপি করে বের হতো। এখনো ফটোকপির মাধ্যমেই পত্রিকাটি প্রকাশ করা হয়।

আমাদের পত্রিকার স্লোগান হলো,
বিজ্ঞান হোক যুক্তিতে,
গণমানুষের মুক্তিতে॥


পত্রিকাটি পরীক্ষামুলক, কেননা এর মাধ্যমে সদস্যরা
- লেখালেখি শিখছেন
- পত্রিকার কাজগুলি শিখছেন
- ন্যুনতম কি পুঁজি করে একটি পত্রিকা বের করে চালিয়ে রাখা যায় তা শিখছেন

খবর-দার ব্লগে খবর-দারের পিডিএফ ফাইল আপনারা ডাউনলোড করতে পারবেন। এছাড়াও খবর-দারে প্রকাশিত বিভিন্ন লেখাও আমরা এখানে দেব।

খবর-দার পত্রিকায় লিখতে চান? মেইল করুন, ac.arafatএটgmail.com ।

১২ অক্টো, ২০০৯

কি দিয়ে গড়িনু

আচ্ছা, কেউ কি বলতে পারো আমাদের চারপাশের পদার্থ আসলে কি দিয়ে তৈরি? এই পদার্থ পৃথিবীতে আসলই বা কিভাবে? পদার্থগুলো সৃষ্টি হলো কখন?

ইতিকথা
কেউ এখন শুনে হাসতে পারে যে, গ্রীক সভ্যতার এক বিজ্ঞানী নাকি বলেছিলেন যে পানি, কেবল পানি দিয়েই তৈরি হয়েছে আমাদের মহাবিশ্ব।এই বিজ্ঞানী ছিলেন থ্যালিস।আরো পরে অ্যারিস্টোটল বললেন – না, মাটি, পানি, বাতাস আর আগুন এ চারটি মৌলিক পদার্থ দিয়েই আমাদের বিশ্ব গঠিত। এরাই মিলেমিশে অন্য সব বস্তু তৈরি করে।আসলে এখানে হাসার কোন কারণ নেই।কেননা তারা চেষ্টা করেছিলেন চারপাশের এই জগতের বাস্তবভাবে ব্যাখ্যা দেয়ার। তবে মজার ব্যাপার, অ্যারিস্টোটলের এই ধারণাটিকে পরবর্তী প্রায় দুই হাজার বছর ধরে কেউ প্রশ্ন করেনি। তিনি নিজেও তার মতামতকে পরীক্ষা করে দেখেন নি। তার